News
| Title | : | সরকারি ক্রয়ে লিড টাইম আরও হ্রাস পাওয়া প্রয়োজন: মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রী |
|---|---|---|
| Description | : | মাননীয় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমপি সরকারি ক্রয়ে ইতোমধ্যে ৫৪ দিনে নেমে আসা প্রকিউরমেন্ট লিড টাইম আরও আরও হ্রাস পাওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন। ৯ জুলাই, ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন চত্বরে অবস্থিত বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)-এর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির ১০ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের চতুর্থ সভায় সভাপতিত্বকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। মাননীয় মন্ত্রী বিপিপিএ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি। পরিচালনা পর্ষদের সিনিয়র ভাইস-চেয়ার ও মাননীয় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জনাব জোনায়েদ সাকী এমপি, ভাইস-চেয়ার ও বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব জনাব সিরাজুন নূর চৌধুরী এবং পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন। প্রকিউরমেন্ট লিড টাইম বলতে দরপত্র আহ্বান থেকে চুক্তি স্বাক্ষর পর্যন্ত সময়কে বোঝায়। বিপিপিএ-এর প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন এবং সরকারি ক্রয় ব্যবস্থা সংস্কারের প্রশংসা করে পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, "ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) সিস্টেম এবং বিপিপিএ-এর গৃহীত বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগের ফলে সরকারি ক্রয়ে লিড টাইম প্রায় ১০০ দিন থেকে কমে ৫৪ দিনে নেমে এসেছে, যা অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। তবে প্রকল্প বাস্তবায়ন আরও ত্বরান্বিত করতে এটি আরও হ্রাস পাওয়া প্রয়োজন ।" প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে। দক্ষতা, প্রতিযোগিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া আরও দ্রুত সম্পন্ন করা গেলে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং উন্নয়নের সুফল দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছাবে।" বিপিপিএ-এর পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে তিনি সরকারি ক্রয়ে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং ক্রয়ের মানোন্নয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার কার্যকারিতা যত উন্নত হবে, প্রকল্প বাস্তবায়ন তত বেশি সময়োপযোগী ও ফলপ্রসূ হবে। পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে হবে। এ লক্ষ্যে তিনি প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে বসে দাপ্তরিক কার্যক্রম তদারকি করবেন বলে জানান। এর আগে সভায় সভাপতির অনুমতিক্রমে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য-সচিব এবং বিপিপিএ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) জনাব এস. এম. মঈন উদ্দীন আহম্মেদ বিপিপিএ-এর প্রতিষ্ঠা, সাংগঠনিক কাঠামো, আইনগত দায়িত্ব, ই-জিপি ব্যবস্থার অগ্রগতি, চলমান প্রকল্পের বাস্তবায়ন, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত অগ্রাধিকার বিষয়ে একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করেন। সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী বিপিপিএকে চলমান আধুনিকায়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন দ্রুততর করার, ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) সিস্টেম ও ডিজিটাল স্বাক্ষরের বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করার এবং সরকারি ক্রয়ে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানিগুলোর যথাযথ যাচাই প্রক্রিয়া জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের গুণগত মান উন্নয়নের জন্য দক্ষ প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ এবং তাঁদের পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি কার্যকর তদারকি ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করতে বিপিপিএ পরিচালনা পর্ষদের সভা নিয়মিত আয়োজনের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
|
| Publication Date | : | 12/07/2026 |